From the words of Maulana Saad Sahab Kandhalvi DB

মেহনতের বয়স যখন প্রায় ১০০ বছর।
*********************************

হাদীস অনুযায়ী পরবর্তী শতাব্দীর মুজাদ্দিদের জন্ম আগেই হয়ে গেছে এবং এখন তাজদীদ হওয়ার পালা। আমরা লক্ষ্য করে দেখছি, মৌলভী মুহাম্মাদ সা’দ সাহেবও নতুন কিছু বিষয় নিয়ে এসেছেন, যেমন:

১। এই উম্মাতের হেদায়েত, ইসলাহ, তরবিয়ত, তাযকিয়া, তাওয়াল্লুক মা’আল্লাহ ইত্যাদি সবকিছুই মূলত দাওয়াত ইলাল্লাহ এর মধ্যে।
২। দীলের ইয়াকীন ছহীহ করা, তরিকার ইয়াকীন ছহীহ করা ও জজবার ইয়াকীন (মাল আসবাবমূখী জজবাকে আমালমূখী করা, দুনিয়ামূখী জজবাকে আখিরাতমূখী করা) ছহীহ করা।
৩। নুসরত অর্থ উম্মাত হেদায়েত পাওয়া। আর আল্লাহর নুসরত ইনফেরাদীভাবে দাওয়াত ইলাল্লাহ এর মধ্যে।
৪। আল্লাহর গায়েবী খাযানা বা কুদরত থেকে ফায়দা নেওয়ার মাধ্যম হল আমাল আর এর মধ্যে শ্রেষ্ঠ হল ছলাত।
৫। ইলম অর্থই হল আসমানি ইলম। দুনিয়াবি শিক্ষা ইলম নয় বরং তা পেশাজীবী বিদ্যা।
৬। যিকিরের উদ্দেশ্য হল দিলের মধ্যে ছিফাতে ইহসান পয়দা করা।
৭। ইহসানের বদলায় ইহসান করা হুসনে আখলাক নয়, বরং যুলমের বদলায় ইহসান করাকে হুসনে আখলাক বলে।
৮। বেহায়া সে নয় যে প্রকাশ্যে গোনাহ করে বরং সে বেহায়া যে গোপনে গোনাহ করে। (প্রকৃত লজ্জাতো আল্লাহকেই করা উচিত)
৯। দায়ীর মাউত হয় ছবরের ময়দানে আর ফাসেকের মাউত হয় খাহেশাতের ময়দানে।
১০। বাজারে, দোকানে, পার্কে কথা বলা না নাবীওয়ালা তরিকা, না সাহাবাওয়ালা তরিকা। বরং সংক্ষিপ্ত দাওয়াত দিয়ে মাসজিদে নিয়ে এসে কথা বলা সুন্নাত তরিকা।
১১। দাওয়াত তালিম ইস্তেকবালের সুরতে মাসজিদ আবাদের মেহনত।
১২। ঘরে তালিমে পাঁচ কাজ-সূরা কিরা’আতের মশক, কিতাবি তালিম, ছয় ছিফাতের মুজাকারা, তাশকিল, মাশওয়ারাহ।
১৩। মোবাইল দ্বারা ছবি তোলা হারাম। যারা জায়েজ বলবে, তারা উলামায়ে ছূ।
১৪। ক্যামেরাওয়ালা মোবাইলে কুর’আন শোনা বা পড়া, কুর’আনের আজমতের খেলাফ। এ যেন প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করা।
১৫। কুর’আন বুঝে পড়া ওয়াজিব।
১৬। প্রত্যেক মাসজিদে মক্তব চালু করা, ইত্যাদি।

এরকম আরো বহু বিষয় রয়েছে, যেগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করলে, সেগুলো সঠিক বলেই আমাদের কাছে মনে হয়। অথচ এসবের কারণে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে ও গোমরাহ প্রতীয়মান করার চেষ্টা করা হচ্ছে! এবং যারা তাকে সমর্থন দিচ্ছে, তাকেও গোমরাহ বলা হচ্ছে!

তাবলীগের মাকসাদ বাহির থেকে নয় বরং তাবলীগে গিয়ে বুঝতে হবে। – (শায়েখ মাওঃ ইলিয়াছ রহঃ)

1-হজরত মিয়াজি মাও ফুল সাব হাফিযাহুল্লাহ ,মেওয়াত ( হজরতজী ইলিয়াস রহ এর যামানা কাজে লেগে আছেন এবং এখনো নিজামউদ্দিনের সাথে আছেন )
2-হজরত মিয়াজি আজমত সাহেব হাফিযাহুল্লাহ( হজরতজী ইউসুফ সাহেব রহ হতে ৪০ বছরের মত কাজে লেগে আছেন এবং ৪০ বারের বেশী ৪মাস করে পায়েদল জামাতে আল্লাহর রাস্তায় সময় লাগিয়েছেন)
৩- মাওলানা ইয়াকুব সাহেব হাফিযাহুল্লাহ ( যিনি হজরতজী ইউসুফ সাহেব রহ সমখয় হতে মেহনতে লেগে আছেন ,মাদারাসায়ে কাশিফুল উলুমতে শিক্ষিকতা করতেন )
৪- শায়েখ ইউসুফ সাহেব হাফিযাহুল্লাহ , শ্রীলংকা ( ১৯৬২ হতে নিজামউদ্দিনে আছেন এবং আমানত রুমের জিম্মাদারি পালন করতেছেনl ১ সাল আল্লাহর রাস্তায় লাগিয়ে মাদরাসায় পড়াশোনা শুরু করেন পরে আলেম হয়ে ফারেগ হন এবং আবার ৩ সাল আল্লাহর রাস্তায় লাগান হজরতজী ইউসুফ সাহেব রহ জামানা হতে )
5-মুফতি আব্দুল সাওার হাফিযাহুল্লাহ ( হজরতজি ইউসুফ সাহেব রহ হতে এখনো কাজ করে যাচ্চেন এবং কাশিফুল উলুমে বড় কিতাব পড়াচ্ছেন )
6-শায়েখ আলাউদ্দিন হাফিযাহুল্লাহ ,মেওয়াত ( হজরতজী ইউসুফ সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্চেন )
৭- শায়েখ ইলিয়াস বাড়াবাংকি হাফিযাহুল্লাহ ( হজরতজী ইউসুফ সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন )
৮- প্রফেসর আব্দুল আলিম হাফিযাহুল্লাহ (( হজরতজী ইউসুফ সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
৯- শায়েখ আলী মিয়া নদভী রহ. খাছ শাগরিদ মাও গাজাইল সাব হাফিযাহুল্লাহ ৪০ বছর ধরে মার্কাজে মুকিম এবং আরব খিওায় বয়ান করেন! হজরত এনামুল হক রহ সাথী )
১০- মাও শামসুর রহমান হাফি (( হজরতজী এনামুল হাসান সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
১১- মাও আব্দুল হান্নান সাহেব হাফি (( হজরতজী এনামুল হাসান সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
১২- শাইইখুল হাদিস আব্দুর রশীদ হাফি (মাও উবায়দুল্লাহ রহ এর সন্তান ) (( হজরতজী এনামুল হাসান সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন).
13– মুফতি আব্দুর রহীম হাফি (( হজরতজী এনামুল হাসান সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
14- – মাও নাফিস সাহেব হাফি (( হজরতজী এনামুল হাসান সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
15– বিশ্ব বিখ্যাত আলেম ইউসুফ সালানি রহ এর সন্তান মাও ইয়াকুব হাফি (( হজরতজী এনামুল হাসান সাহেব রহ হতে এখনো নিজামউদ্দিনে জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
16– মাও জামশিদ হাফি (( মার্কাজ নিজামউদ্দিনের মাশোয়ারায় জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
17– মুফতি শরিফ হাফি (( মার্কাজ নিজামউদ্দিনের মাশোয়ারায় জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
18- মুফতি শওকত সাহেব হাফিযাহুল্লাহ (মার্কাজ নিজামউদ্দিনে মাশোয়ারায় কাজ করছেন)
19- মুফতি শামিম সাহেব হাফি (( মার্কাজ নিজামউদ্দিনের মাশোয়ারায় জুরে কাজ করে যাচ্ছেন)
20- মাও যুয়ারুল হাসান সাহেব হাফি ( মার্কাজ নিজামউজদিনেদ তাকাজা পুরো করছেন )
21- মাও আসাদুল্লাহ সাহেব হাফিযাহুল্লাহ ( মার্কাজ নিজামউদ্দিনের তাকাজায় কাজ করতেছেন )